Home / বাংলা টিপস / ঘুমের সহায়ক ক্যামোমিল চা

ঘুমের সহায়ক ক্যামোমিল চা

গ্রিন টি’র উপকারিতা কমবেশি সবারই জানা। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই, এই চায়ের মতো ক্যামোমিল চা-ও বেশ উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর ক্যামোমিল চা শরীরে বিভিন্ন ধরণের রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-১.  যারা ঘুমের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের নিদ্রাহীনতার সমস্যা আছে তারা ক্যামোমিল চা খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা টানা দুই সপ্তাহ ক্যামোমিল চা খেয়েছেন অন্যদের চেয়ে তাদের ঘুম ভাল হয়েছে। এমনকী তাদের বিষন্নতাও অনেকটা কেটে গেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাল ঘুমের জন্য দিনে দুই কাপ এই চা খেতে পারেন জ।২. স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হজমশক্তি ভাল হওয়া খুবই জরুরি। যাদের হজমজনিত নানা সমস্যা যেমন-পেটে অস্বস্তি, গ্যাস,বমি বমি ভাব হয় তারা নিয়মিত এই চা পান করতে পারেন। ৩. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যামোমিল চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- স্তন, ত্বক, মূত্রথলি এবং জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৬ বার ক্যামোমিল চা পান করেন তাদের থাইরয়েড ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম।৪. গবেষণা বলছে, ক্যামোমিল চা পানে রক্তে শর্করার পরিমাণ্ও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই চায়ে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের পর পর এটি খেলে উপকারিতা পাওয়া যায়। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ৫. ফ্ল্যাভোন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস হওয়ায় ক্যামোমিল চা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। ৬. নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে উদ্বেগ ও হতাশা কমে। এটি ত্বক ও হাড়ের জন্যও উপকারী। সূত্র : হেলথলাইন

গ্রিন টি’র উপকারিতা কমবেশি সবারই জানা। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই, এই চায়ের মতো ক্যামোমিল চা-ও বেশ উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর ক্যামোমিল চা শরীরে বিভিন্ন ধরণের রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-১.  যারা ঘুমের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের নিদ্রাহীনতার সমস্যা আছে তারা ক্যামোমিল চা খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা টানা দুই সপ্তাহ ক্যামোমিল চা খেয়েছেন অন্যদের চেয়ে তাদের ঘুম ভাল হয়েছে। এমনকী তাদের বিষন্নতাও অনেকটা কেটে গেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাল ঘুমের জন্য দিনে দুই কাপ এই চা খেতে পারেন জ।২. স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হজমশক্তি ভাল হওয়া খুবই জরুরি। যাদের হজমজনিত নানা সমস্যা যেমন-পেটে অস্বস্তি, গ্যাস,বমি বমি ভাব হয় তারা নিয়মিত এই চা পান করতে পারেন। ৩. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যামোমিল চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- স্তন, ত্বক, মূত্রথলি এবং জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৬ বার ক্যামোমিল চা পান করেন তাদের থাইরয়েড ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম।৪. গবেষণা বলছে, ক্যামোমিল চা পানে রক্তে শর্করার পরিমাণ্ও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই চায়ে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের পর পর এটি খেলে উপকারিতা পাওয়া যায়। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ৫. ফ্ল্যাভোন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস হওয়ায় ক্যামোমিল চা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। ৬. নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে উদ্বেগ ও হতাশা কমে। এটি ত্বক ও হাড়ের জন্যও উপকারী। সূত্র : হেলথলাইন

গ্রিন টি’র উপকারিতা কমবেশি সবারই জানা। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই, এই চায়ের মতো ক্যামোমিল চা-ও বেশ উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর ক্যামোমিল চা শরীরে বিভিন্ন ধরণের রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-১.  যারা ঘুমের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের নিদ্রাহীনতার সমস্যা আছে তারা ক্যামোমিল চা খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা টানা দুই সপ্তাহ ক্যামোমিল চা খেয়েছেন অন্যদের চেয়ে তাদের ঘুম ভাল হয়েছে। এমনকী তাদের বিষন্নতাও অনেকটা কেটে গেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাল ঘুমের জন্য দিনে দুই কাপ এই চা খেতে পারেন জ।২. স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হজমশক্তি ভাল হওয়া খুবই জরুরি। যাদের হজমজনিত নানা সমস্যা যেমন-পেটে অস্বস্তি, গ্যাস,বমি বমি ভাব হয় তারা নিয়মিত এই চা পান করতে পারেন। ৩. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যামোমিল চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- স্তন, ত্বক, মূত্রথলি এবং জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৬ বার ক্যামোমিল চা পান করেন তাদের থাইরয়েড ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম।৪. গবেষণা বলছে, ক্যামোমিল চা পানে রক্তে শর্করার পরিমাণ্ও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই চায়ে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের পর পর এটি খেলে উপকারিতা পাওয়া যায়। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ৫. ফ্ল্যাভোন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস হওয়ায় ক্যামোমিল চা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। ৬. নিয়মিত ক্যামোমিল চা পানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে উদ্বেগ ও হতাশা কমে। এটি ত্বক ও হাড়ের জন্যও উপকারী। সূত্র : হেলথলাইন

Check Also

ডায়াবেটিসের যে উপসর্গগুলি অবহেলার নয়

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *