Home / বাংলা টিপস / নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন

নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন

রসে ভরা আনারস প্রায় সব মানুষেরই পছন্দের একটি ফল। আনারস খেলে যেমন মুখের রুচি বাড়ে তেমনি এই ফলের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য এই ফল।পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকলেও ফ্যাট রয়েছে খুব সামান্য। ফলে নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন।ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণেও সহায়ক আনারস। কেননা এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-১, সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যারোটিনসহ আরও অনেক খনিজ উপাদান।আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।ভিটামিন ‘সি’-এর ভাণ্ডার আনারস ত্বক এবং চুলের সুরক্ষায়ও আনারস বেশ উপকারী। আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখতে ভিটামিন ‘সি-এর গুরুত্ব অনেক। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক কাপ পরিমাণ আনারস শরীরে ভিটামিন ‘সি’-এর চাহিদা পূরণ করবে ভালোভাবেই।আনারসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলিন।এই উপাদান হজম শক্তিকে বাড়াতে এবং পেটের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। আর এতে থাকা খনিজ উপাদান বেটা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া আনারসে এমন পুষ্টিগুণ রয়েছে যা সর্দি-কাঁশি দূর করতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষ সর্দি-কাঁশি কমাতে আনারস খেয়ে থাকেন। সূত্র: হেলথলাইন

রসে ভরা আনারস প্রায় সব মানুষেরই পছন্দের একটি ফল। আনারস খেলে যেমন মুখের রুচি বাড়ে তেমনি এই ফলের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য এই ফল।পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকলেও ফ্যাট রয়েছে খুব সামান্য। ফলে নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন।ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণেও সহায়ক আনারস। কেননা এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-১, সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যারোটিনসহ আরও অনেক খনিজ উপাদান।আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।ভিটামিন ‘সি’-এর ভাণ্ডার আনারস ত্বক এবং চুলের সুরক্ষায়ও আনারস বেশ উপকারী। আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখতে ভিটামিন ‘সি-এর গুরুত্ব অনেক। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক কাপ পরিমাণ আনারস শরীরে ভিটামিন ‘সি’-এর চাহিদা পূরণ করবে ভালোভাবেই।আনারসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলিন।এই উপাদান হজম শক্তিকে বাড়াতে এবং পেটের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। আর এতে থাকা খনিজ উপাদান বেটা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া আনারসে এমন পুষ্টিগুণ রয়েছে যা সর্দি-কাঁশি দূর করতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষ সর্দি-কাঁশি কমাতে আনারস খেয়ে থাকেন। সূত্র: হেলথলাইন

রসে ভরা আনারস প্রায় সব মানুষেরই পছন্দের একটি ফল। আনারস খেলে যেমন মুখের রুচি বাড়ে তেমনি এই ফলের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য এই ফল।পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকলেও ফ্যাট রয়েছে খুব সামান্য। ফলে নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন।ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণেও সহায়ক আনারস। কেননা এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-১, সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যারোটিনসহ আরও অনেক খনিজ উপাদান।আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।ভিটামিন ‘সি’-এর ভাণ্ডার আনারস ত্বক এবং চুলের সুরক্ষায়ও আনারস বেশ উপকারী। আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখতে ভিটামিন ‘সি-এর গুরুত্ব অনেক। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক কাপ পরিমাণ আনারস শরীরে ভিটামিন ‘সি’-এর চাহিদা পূরণ করবে ভালোভাবেই।আনারসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলিন।এই উপাদান হজম শক্তিকে বাড়াতে এবং পেটের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। আর এতে থাকা খনিজ উপাদান বেটা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া আনারসে এমন পুষ্টিগুণ রয়েছে যা সর্দি-কাঁশি দূর করতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষ সর্দি-কাঁশি কমাতে আনারস খেয়ে থাকেন। সূত্র: হেলথলাইন

রসে ভরা আনারস প্রায় সব মানুষেরই পছন্দের একটি ফল। আনারস খেলে যেমন মুখের রুচি বাড়ে তেমনি এই ফলের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য এই ফল।পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকলেও ফ্যাট রয়েছে খুব সামান্য। ফলে নিয়মিত আনারস খেলে কমবে ওজন।ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণেও সহায়ক আনারস। কেননা এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-১, সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যারোটিনসহ আরও অনেক খনিজ উপাদান।আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।ভিটামিন ‘সি’-এর ভাণ্ডার আনারস ত্বক এবং চুলের সুরক্ষায়ও আনারস বেশ উপকারী। আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখতে ভিটামিন ‘সি-এর গুরুত্ব অনেক। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক কাপ পরিমাণ আনারস শরীরে ভিটামিন ‘সি’-এর চাহিদা পূরণ করবে ভালোভাবেই।আনারসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলিন।এই উপাদান হজম শক্তিকে বাড়াতে এবং পেটের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। আর এতে থাকা খনিজ উপাদান বেটা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া আনারসে এমন পুষ্টিগুণ রয়েছে যা সর্দি-কাঁশি দূর করতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষ সর্দি-কাঁশি কমাতে আনারস খেয়ে থাকেন। সূত্র: হেলথলাইন

Check Also

ডায়াবেটিসের যে উপসর্গগুলি অবহেলার নয়

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *