Home / বাংলা টিপস / গর্ভাবস্থায় যেসব ফল খাওয়া ঠিক নয়

গর্ভাবস্থায় যেসব ফল খাওয়া ঠিক নয়

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার পরামর্শ দেন।তবে গর্ভাবস্থায় সব ফল খাওয়া ঠিক নয়। বরং কিছু ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন-১. চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় আনারস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এটি খেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। ২. গর্ভাবস্থায় আঙুর খেলে মর্নিং সিকনেসের প্রবণতা যেমন বাড়ে, তেমনি হবু মায়েরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন৷  ৩. গর্ভাবস্থায় টক কিংবা আচার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে৷ তবে এই সময় তেঁতুল এড়িয়ে চলাই ভাল৷ কারণ তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমায়৷ শরীরে এই হরমোন কমে গেলে জরায়ুর সংকোচন হয়৷ তখন গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ ৪. পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল হলেও গর্ভাবস্থায় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে থাকা ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷ আবার পেঁপে খেলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়ে যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর।৫. কলা গর্ভাবস্থায় খাওয়া পুষ্টিকর। তবে ডায়াবেটিস  বা অ্যালার্জি থাকলে এই সময় কলা খাওয়া ঠিক নয়। এতে থাকা কাইটিনেজ উপাদান ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।৬. তরমুজ শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে টক্সিন বের হওয়ার সময় গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ অতিরিক্ত টক্সিনের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষতিকারক৷ আবার তরমুজ শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়৷ এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।৭. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন থাকা সত্ত্বেও গর্ভাবস্থায় এ ফলটি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কারণ খেজুর শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে পেশীর সংকোচন হয়৷ অসময়ে জরায়ুর পেশী সংকুচিত হলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে৷  সূত্র : নিউজ এইট্টিন

Check Also

ডায়াবেটিসের যে উপসর্গগুলি অবহেলার নয়

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *