Home / বাংলা টিপস / ডায়াবেটিসের যে উপসর্গগুলি অবহেলার নয়

ডায়াবেটিসের যে উপসর্গগুলি অবহেলার নয়

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

ডায়াবেটিস একটি পরিচিত সমস্যা। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটা টাইপ ওয়ান ,আরেকটি টাইপ টু ডায়বেটিস।এ দুটির মধ্যে টাইপ টু’তে আক্রান্তর সংখ্যাই বেশি। সাধারণত পরিমিত খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। কেউ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়। যেমন-১. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করার চেষ্টা করে। তখন প্রসাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের বেলা এ প্রবণতা বাড়ে।২. অতিরিক্ত প্রসাবের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয। তখন বারবার পানি পিপাসা পায়।৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শরীরের শক্তি কমে যায়। তখন মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।৪. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে হজমশক্তি ভেঙে যায়। তখন বারবার খিদে পায়।৫. রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়। ৬. টাইপ টু ডায়াবেটিস হলে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়। তখন যেকোন ক্ষত সারতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।ফাঙ্গাল সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে।৭.  টাইপ টু ডায়াবেটিসের কারণে হাত বা পায়ে অবশ ভাব হতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

Check Also

গর্ভাবস্থায় যেসব ফল খাওয়া ঠিক নয়

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *