Home / বাংলা টিপস / ওজন কমাতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

ওজন কমাতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

ওজন কমাতে সবারই কমবেশি চেষ্টা থাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তন, ব্যায়ামের মাধ্যমে অনেকে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। যারা ওজন কমিয়ে শরীর ঝরঝরে করতে চান তাদের কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখা দরকার। যেমন-১. প্রযুক্তির এই যুগে বাড়িতে কিংবা অফিসে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকা যায় না। সারাদিন এগুলো থেকে বের হওয়া নীল আলোর দিকে তাকিয়ে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অফিসে যেহেতু এড়ানো যায় না এ কারণে বাড়িতে স্ত্রিন দেখা অর্থাৎ টেলিভিশন, মোবাইল এবং ল্যাপটপ দেখার সময় সীমিত করা উচিত।গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখলে মানুষিক চাপ বাড়ে, ঘুমের সমস্যা হয় এবং হতাশাবোধ জন্মে। এইসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীরের ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

২. আপনি যদি একটানা বসে থাকার কাজ করেন তাহলেও ওজন বেড়ে যাবে। যারা সারাদিন বসে কাজ যারা করেন তারা এতটাই বিপর্যস্ত থাকেন যে বাড়িতে ফিরে কিছুট আরাম পেতে টেলিভিশনের সামনে বসেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের বেশিরভাগ সময় যারা এভাবে বসে কাটান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁড়িয়ে কাজ করলে, কাজের ফাঁকে ফাঁকে দাড়ালে বা একটু হাঁটাহাটি করলে কিছু ক্যালরি ঝরে। সেই সঙ্গে ওজনও কমে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওজন কমাতে দিনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাজ করুন , দৌড়ান বা হাঁটাহাটি করুন।

৩. পানি শুধু শরীরের আর্দ্রতা বজায়ই রাখে না, সেই সঙ্গে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের আগে পানি খেলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওজন কমাতে দিনে অন্তত ২ লিটার পানি পান করা উচিত। এছাড়া ডাবের পানি ,লেবু পানিও ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।৪. ওজন কমাতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো খুবই জরুরি। ভাল ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত লাগে, তখন বেশি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।৫. যারা নিয়মিত অ্যালকোহল পান করেন তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এছাড়া অ্যালকোহল পানে অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও বাড়ে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ওজন কমাতে সবারই কমবেশি চেষ্টা থাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তন, ব্যায়ামের মাধ্যমে অনেকে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। যারা ওজন কমিয়ে শরীর ঝরঝরে করতে চান তাদের কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখা দরকার। যেমন-১. প্রযুক্তির এই যুগে বাড়িতে কিংবা অফিসে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকা যায় না। সারাদিন এগুলো থেকে বের হওয়া নীল আলোর দিকে তাকিয়ে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অফিসে যেহেতু এড়ানো যায় না এ কারণে বাড়িতে স্ত্রিন দেখা অর্থাৎ টেলিভিশন, মোবাইল এবং ল্যাপটপ দেখার সময় সীমিত করা উচিত।গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখলে মানুষিক চাপ বাড়ে, ঘুমের সমস্যা হয় এবং হতাশাবোধ জন্মে। এইসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীরের ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

২. আপনি যদি একটানা বসে থাকার কাজ করেন তাহলেও ওজন বেড়ে যাবে। যারা সারাদিন বসে কাজ যারা করেন তারা এতটাই বিপর্যস্ত থাকেন যে বাড়িতে ফিরে কিছুট আরাম পেতে টেলিভিশনের সামনে বসেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের বেশিরভাগ সময় যারা এভাবে বসে কাটান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁড়িয়ে কাজ করলে, কাজের ফাঁকে ফাঁকে দাড়ালে বা একটু হাঁটাহাটি করলে কিছু ক্যালরি ঝরে। সেই সঙ্গে ওজনও কমে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওজন কমাতে দিনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাজ করুন , দৌড়ান বা হাঁটাহাটি করুন।

৩. পানি শুধু শরীরের আর্দ্রতা বজায়ই রাখে না, সেই সঙ্গে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের আগে পানি খেলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওজন কমাতে দিনে অন্তত ২ লিটার পানি পান করা উচিত। এছাড়া ডাবের পানি ,লেবু পানিও ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।৪. ওজন কমাতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো খুবই জরুরি। ভাল ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত লাগে, তখন বেশি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।৫. যারা নিয়মিত অ্যালকোহল পান করেন তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এছাড়া অ্যালকোহল পানে অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও বাড়ে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Check Also

গর্ভাবস্থায় যেসব ফল খাওয়া ঠিক নয়

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা  এ সময় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফল রাখার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *